প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
মাহদী আমিন তার পোস্টে বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং সত্যতা যাচাই করা জরুরি। কারণ, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী অনেক সময় আংশিক ভিডিও বা ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালায়। পাশাপাশি, গণঅভ্যুত্থানের পরও অশালীন আচরণ ও অশ্রাব্য ভাষাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ধারণ করে তারা যে জনমানস থেকে বিচ্ছিন্ন, তা সোশ্যাল মিডিয়া হাইপের বিপরীতে নির্বাচনী ফলাফলেই প্রমাণিত।
তিনি আরও বলেন, সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের নিয়ে নামে-বেনামে, নিজ বা ভিন্ন পরিচয়ে, ধারাবাহিকভাবে আপত্তিকর শব্দ চয়ন এক ধরনের গুপ্ত স্বৈরাচারী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
গঠনমূলক রাজনীতির স্বার্থে এখন প্রয়োজন সংযত ভাষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং ইতিবাচক আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
বিরোধীদলের মতপ্রকাশের বিষয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদলের মনে রাখা প্রয়োজন, মতভিন্নতা থাকতেই পারে, কিন্তু তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখা জরুরি। ন্যায়সঙ্গত অবস্থান ও সুস্থ রাজনৈতিক চর্চাই একটি গণতান্ত্রিক সমাজকে শক্তিশালী করে।


